একবিংশ শতকে বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে অনেক স্বাচ্ছন্দ্য। বেড়েছে মানুষের গড় আয়ুও। এই আশা ও সম্ভাবনার জেরেই সমুদ্র জলকে লবণমুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন কেউ কেউ। যদি বিজ্ঞান-প্রযুক্তি একসঙ্গে মিলে এই কাজটি করতে পারে, তাহলে এই খোঁজ মানুষকে দেবে বাড়তি জীবনীশক্তি। এখনও পর্যন্ত যা জানি তাতে বলাই যায় যে, যে কোনো পদ্ধতিতে সমুদ্রের লোনা জলকে লবণমুক্ত করতে হলে চাই এমন সব কারিগরি ব্যবস্থা যাতে প্রচুর বিদ্যুতের খচর হবে। আর ঝিলি্ল বা মেমব্রেনের খরচটাও বিশাল। লবণমুক্ত করার কারখানায় সমুদ্রের জলকে পাঠানোর আগে যেসব প্রাক-পরিশোধন (প্রি-ট্রিটমেন্ট) করতে হবে, তার খরচও অনেক।
কিন্তু রিভার্স অসমোসিস পদ্ধতি প্রচলনের পর প্রযুক্তিবিদরা একটু গলা উঁচু করতে বলতে পারছেন যে, খরচটা মোবাইল ফোনের মতো দিন দিন নিম্নগামী। বর্তমানে সমুদ্র ছাড়া উপায়ই বা কি? পুকুর, নদী-নালার জল কিছুই করে উঠতে পারছে না। কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য একসঙ্গে পান করে ফেলছে এসব জল। ভূগর্ভস্থ জলের দিকে নজর দিতে গিয়ে ফ্লুরাইড ও আর্সেনিকের ছোবল পড়ছে সবখানে। কোথাও জল নেই। টিউবওয়েলের জলে বহু খারাপ জিনিস পাওয়া যাচ্ছে। সমুদ্রের কাছে মাটিতে টিউবওয়েল বসালে সেখানকার জল অনেক সময় লবণাক্ত স্বাদ হয়। সমুদ্রের জল টিউবওয়েলের জলস্তরে ঢুকে গিয়ে সব বরবাদ করে দেয়। আমরা যাই কোথায়?
তাই একসময়ে বিজ্ঞানীরা বলতেন, সমুদ্রের জলকে ছেড়ে দাও। গবেষণা করে এতো টাকা খরচ করার মানে হয় না। এখন আবার তারাই বলছেন, সমুদ্রের জলকে পানীয় জল করে তুলবার জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন। কারণ, আমরা অন্য কিছুর কথা ভেবে উঠতে পারছি না।
পৃথিবীর মোট জলের ২.৫ শতাংশ মিষ্টি জল। সমুদ্রের জল ৯৭.৫ শতাংশ। গত ৩০ বছর ধরে সমুদ্রের লোনা জলকে লবণমুক্ত করার চেষ্টা চলছে সারা বিশ্বে। শুকনো মধ্যপ্রাচ্য দেশে এসব নিয়ে কাজ হচ্ছে বেশি। কারণ তাদের অন্য উপায় নেই। গত ৩০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর ১২০টি দেশে ১৫০০০ সমুদ্রের জল লবণমুক্ত করবার প্ল্যান্ট বসানো হয়েছে। এগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা প্রতিদিন ৩৫০ কোটি গ্যালন। স্পেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং এরকম কয়েকটি দেশে_ তাদের প্রয়োজনের অর্ধেকেরও বেশি জল আসে সমুদ্র মন্থন করে। রিভার্স অসমোসিস প্রক্রিয়া শুরু হবার পর সমুদ্রের জল লবণমুক্ত করার খরচটা ধাপে ধাপে কমে আসছে। ফলে বহু দেশের অনেক দেশেই এই প্ল্যান্ট বসানোর কথা ভাবা হচ্ছে। আগে সমুদ্রের লবণাক্ত জল শোধন করতে তাপের ব্যবহার করা হতো। এটা খরচসাধ্য উপায়। ডিসটিলড্ ওয়াটার তাই জনপ্রিয় হলো না। রিভার্স অসমোসিস মেমব্রেন সমুদ্রের জলের লবণাক্ততাকে দূর করতে পারে। সেই সঙ্গে পারে দ্রবীভূত জৈব ও অজৈব পদার্থকেও আলাদা করে দিতে। আগামী দিনে জারণ প্রতিরোধী মেমব্রেনও তৈরি করা যাবে। তার ফলে বহুদিন ব্যবহার করলেও ঝিলি্ল পচে নষ্ট হবে না। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার কাছে ৫টি বড় বড় সমুদ্র জল প্রকল্প চালু হচ্ছে। দিনে ৫.৬ লাখ ঘন মিটার পানীয় জল তৈরি হবে। এভাবেই এগিয়ে চলেছে সমুদ্রের জলকে বাগে আনার প্রচেষ্টা। যদি খরচ আরও খানিকটা কমানো যায় তবে বাংলাদেশেও সমুদ্রের জলকে নিয়ে অনেক কিছু ভাবা যাবে। এদেশ খরা ও তাপদাহের হাত থেকে বাঁচবে। সবুজায়ন প্রকল্পও সার্থক হবে।
কিন্তু রিভার্স অসমোসিস পদ্ধতি প্রচলনের পর প্রযুক্তিবিদরা একটু গলা উঁচু করতে বলতে পারছেন যে, খরচটা মোবাইল ফোনের মতো দিন দিন নিম্নগামী। বর্তমানে সমুদ্র ছাড়া উপায়ই বা কি? পুকুর, নদী-নালার জল কিছুই করে উঠতে পারছে না। কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য একসঙ্গে পান করে ফেলছে এসব জল। ভূগর্ভস্থ জলের দিকে নজর দিতে গিয়ে ফ্লুরাইড ও আর্সেনিকের ছোবল পড়ছে সবখানে। কোথাও জল নেই। টিউবওয়েলের জলে বহু খারাপ জিনিস পাওয়া যাচ্ছে। সমুদ্রের কাছে মাটিতে টিউবওয়েল বসালে সেখানকার জল অনেক সময় লবণাক্ত স্বাদ হয়। সমুদ্রের জল টিউবওয়েলের জলস্তরে ঢুকে গিয়ে সব বরবাদ করে দেয়। আমরা যাই কোথায়?
তাই একসময়ে বিজ্ঞানীরা বলতেন, সমুদ্রের জলকে ছেড়ে দাও। গবেষণা করে এতো টাকা খরচ করার মানে হয় না। এখন আবার তারাই বলছেন, সমুদ্রের জলকে পানীয় জল করে তুলবার জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন। কারণ, আমরা অন্য কিছুর কথা ভেবে উঠতে পারছি না।
পৃথিবীর মোট জলের ২.৫ শতাংশ মিষ্টি জল। সমুদ্রের জল ৯৭.৫ শতাংশ। গত ৩০ বছর ধরে সমুদ্রের লোনা জলকে লবণমুক্ত করার চেষ্টা চলছে সারা বিশ্বে। শুকনো মধ্যপ্রাচ্য দেশে এসব নিয়ে কাজ হচ্ছে বেশি। কারণ তাদের অন্য উপায় নেই। গত ৩০ বছরের মধ্যে পৃথিবীর ১২০টি দেশে ১৫০০০ সমুদ্রের জল লবণমুক্ত করবার প্ল্যান্ট বসানো হয়েছে। এগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা প্রতিদিন ৩৫০ কোটি গ্যালন। স্পেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং এরকম কয়েকটি দেশে_ তাদের প্রয়োজনের অর্ধেকেরও বেশি জল আসে সমুদ্র মন্থন করে। রিভার্স অসমোসিস প্রক্রিয়া শুরু হবার পর সমুদ্রের জল লবণমুক্ত করার খরচটা ধাপে ধাপে কমে আসছে। ফলে বহু দেশের অনেক দেশেই এই প্ল্যান্ট বসানোর কথা ভাবা হচ্ছে। আগে সমুদ্রের লবণাক্ত জল শোধন করতে তাপের ব্যবহার করা হতো। এটা খরচসাধ্য উপায়। ডিসটিলড্ ওয়াটার তাই জনপ্রিয় হলো না। রিভার্স অসমোসিস মেমব্রেন সমুদ্রের জলের লবণাক্ততাকে দূর করতে পারে। সেই সঙ্গে পারে দ্রবীভূত জৈব ও অজৈব পদার্থকেও আলাদা করে দিতে। আগামী দিনে জারণ প্রতিরোধী মেমব্রেনও তৈরি করা যাবে। তার ফলে বহুদিন ব্যবহার করলেও ঝিলি্ল পচে নষ্ট হবে না। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার কাছে ৫টি বড় বড় সমুদ্র জল প্রকল্প চালু হচ্ছে। দিনে ৫.৬ লাখ ঘন মিটার পানীয় জল তৈরি হবে। এভাবেই এগিয়ে চলেছে সমুদ্রের জলকে বাগে আনার প্রচেষ্টা। যদি খরচ আরও খানিকটা কমানো যায় তবে বাংলাদেশেও সমুদ্রের জলকে নিয়ে অনেক কিছু ভাবা যাবে। এদেশ খরা ও তাপদাহের হাত থেকে বাঁচবে। সবুজায়ন প্রকল্পও সার্থক হবে।
* রকমারি ডেস্ক
Source: www.bangladesh-pratidin.com
No comments:
Post a Comment